বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৪:৪৩ এএম
অবসর নিয়েও আলোচনায় মিশন চাকমা: চাকরিজীবনে কোটি কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ, দুদক তদন্তের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক | চট্টগ্রাম
চাকরিজীবনে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়ার অভিযোগে সাবেক সরকারি কর্মকর্তা মিশন চাকমাকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ চাকরিজীবনে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছেন। বর্তমানে তিনি অবসর নেওয়ার প্রায় দুই বছর পর ভাড়া বাসায় বসবাস করলেও অভিযোগকারীদের দাবি—এটি কেবল লোক দেখানো; তাঁর প্রকৃত সম্পদ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে গভীর অনুসন্ধান প্রয়োজন।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, মিশন চাকমার চাকরিজীবনের আয়, সম্পদ অর্জন এবং বর্তমানে তাঁর ও তাঁর পরিবারের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মধ্যে সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। বিশেষ করে চাকরিজীবনের বিভিন্ন সময়ে তিনি কীভাবে সম্পদ অর্জন করেছেন, তাঁর নামে বা পরিবারের সদস্যদের নামে কোনো অস্বাভাবিক সম্পদ তৈরি হয়েছে কি না এবং এসব সম্পদের অর্থের উৎস কী—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার দাবি উঠেছে।
অভিযোগকারীরা আরও বলছেন, দুদকে দেওয়া অভিযোগটি যেন শুধু নথিতে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং তা কার্যকরভাবে যাচাই-বাছাই ও তদন্তের আওতায় আনা হয়। প্রয়োজন হলে তাঁর আয়কর নথি, সম্পদ বিবরণী, ব্যাংক হিসাব, জমি-ফ্ল্যাটসহ অন্যান্য সম্পদের তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তাদের দাবি, একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে চাকরিজীবনে বৈধ আয়ের সঙ্গে অর্জিত সম্পদের সামঞ্জস্য থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু যদি আয়ের তুলনায় সম্পদের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেশি হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা।
অভিযোগকারীদের ভাষায়, বাইরে থেকে সাধারণ জীবনযাপনের চিত্র দেখা গেলেও সেটিকে সম্পদের প্রকৃত চিত্র হিসেবে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। তাই বর্তমানে তিনি কোথায় থাকেন বা কী ধরনের জীবনযাপন করছেন—তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো চাকরিজীবনে তাঁর আয় ও সম্পদের প্রকৃত হিসাব কী ছিল এবং বর্তমানে তাঁর নামে-বেনামে কী পরিমাণ সম্পদ রয়েছে।
এদিকে, মিশন চাকমার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা গেলে তা প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছে অভিযোগটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
আলাউদ্দিনের চেরাগের মতো হঠাৎ বিপুল সম্পদ নয়—চাকরিজীবনের আয়, সম্পদ ও অর্থের উৎসের স্বচ্ছ হিসাবই এখন মূল প্রশ্ন। অভিযোগের সত্যতা থাকলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং অভিযোগ অসত্য হলে তা স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে।
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত
চট্টগ্রামে মেয়রের ড্রাইভার জসিমের বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তার ও হামলার অভিযোগ ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ‘ক... বিস্তারিত
সোনাইমুড়ীতে দোকানের আড়ালে বড় ধরনের জুয়ার আসর পেছনের কক্ষে বসে কথিত জুয়ার আসর, পালানোর জন্য রয়েছে ... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত