বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭:০৮ এএম
মাদারীপুর সদর থানায় একাধিক মামলার এজাহারে একই ব্যক্তির নাম, আলোচনায় পুরোনো ও নতুন অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক | মাদারীপুর
মাদারীপুর সদর থানায় বিভিন্ন সময়ে দায়ের হওয়া একাধিক ফৌজদারি মামলার এজাহার ও একটি সাধারণ ডায়েরির (জিডি) নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, একই ব্যক্তির নাম বারবার এজাহারভুক্ত অভিযুক্ত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। মামলাগুলোতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় অভিযোগ আনা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ৷৷ প্রাপ্ত নথি অনুযায়ী, ২০০৬ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে মাদারীপুর সদর থানায় দায়ের হওয়া একাধিক
এফআইআর ও জিডিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, মারধর, চাঁদাবাজি, দখল, চুরি, মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত অভিযোগসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের অভিযোগ।
নথিতে উল্লেখিত মামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে—
এফআইআর নং-৪৪ (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৬), জিআর নং-৮০/০৬; দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩০৭/৩৭৯/৩৮০/১১৪ ধারা।
এফআইআর নং-২ (৩ অক্টোবর ২০০৭), জিআর নং-৩৭৬/০৭; দণ্ডবিধির ১৪৩/৩০৭/৩২৩/৩৭৯ ধারা।
এফআইআর নং-৪২ (২০ জুলাই ২০১২); মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০-এর ১৯(১) এর ৭(ক) ধারা।
এফআইআর নং-৫৩ (২৮ সেপ্টেম্বর ২০১২); দণ্ডবিধির৷ ১৪৩/৪৪৭/৩৮৫/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/৩৮০/৪২৭/১১৪ ধারা।
এফআইআর নং-৫৭ (৩০ সেপ্টেম্বর ২০১২); দণ্ডবিধির ৩২৩/৩৮৫/১৪৩/৩২৫ ধারা।
এফআইআর নং-৩৪ (১৫ অক্টোবর ২০১২); নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(৩)/৩০ ধারা।
এফআইআর নং-৫৬ (২৩ মে ২০১৫); দণ্ডবিধির ১৪৩/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/১১৪/৩৪ ধারা।
এফআইআর নং-৩৭ (২১ অক্টোবর ২০১৭); মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০-এর ১৯(১) এর ৯(ক) ধারা।
এফআইআর নং-৫৭ (১৪ মে ২০১৯); মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক)/৪১ ধারা।
এফআইআর নং-৫০ (২৬ জুলাই ২০২০); মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক)/৪১ ধারা।
জিডি নং-১০৪৮ (২০ মার্চ ২০২১)। আইনজীবীদের মতে, একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও কেবল এজাহারে নাম থাকা মানেই তিনি আইনগতভাবে দোষী—এমনটি বলা যায় না। প্রতিটি মামলার তদন্ত, অভিযোগপত্র, বিচারিক কার্যক্রম এবং আদালতের চূড়ান্ত রায়ের মাধ্যমেই অপরাধ প্রমাণিত বা অপ্রমাণিত হয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
সম্পাদকের নোট: এই প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্য সংশ্লিষ্ট থানার এফআইআর, জিআর মামলা ও জিডির নথির ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এখানে উল্লিখিত অভিযোগসমূহ আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়েছে—এমন দাবি করা হচ্ছে না।
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত
চট্টগ্রামে মেয়রের ড্রাইভার জসিমের বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তার ও হামলার অভিযোগ ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ‘ক... বিস্তারিত
সোনাইমুড়ীতে দোকানের আড়ালে বড় ধরনের জুয়ার আসর পেছনের কক্ষে বসে কথিত জুয়ার আসর, পালানোর জন্য রয়েছে ... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত