বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭:০৪ এএম
নিজস্ব প্রতিবেদক
সৌদি আরবে অবস্থানরত এক বাংলাদেশি প্রবাসী সুজনের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালত বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো প্রকাশিত হয়নি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সুজন দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে বসবাস করছেন। ভুক্তভোগী পক্ষের দাবি, তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপনের পর থেকেই তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। এ কারণে মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম প্রভাবিত হচ্ছে
বলে অভিযোগকারীরা মনে করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ঘিরে বিভিন্ন সময় নানা অভিযোগের আলোচনা ছিল। অভিযোগকারীরা দাবি করেন, তার কর্মকাণ্ডে একাধিক ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের অনেকগুলোরই স্বাধীন ও আনুষ্ঠানিক যাচাই এখনো সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করে আসছেন। তাদের দাবি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে মামলাটির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিভিন্ন পক্ষ থেকে ভিডিও, পোস্ট ও বক্তব্য প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে কোনো সরকারি সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেনি। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো ব্যক্তি বিদেশে অবস্থান করলেও তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা ও অভিযোগ তদন্তের আওতায় আনা সম্ভব। প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক আইনি সহযোগিতা, পারস্পরিক তথ্য বিনিময় এবং সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগে কাউকে দোষী বা নির্দোষ ঘোষণা করা সমীচীন নয়। তবে গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে যেমন ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পেতে পারেন, তেমনি অভিযোগের মুখোমুখি ব্যক্তিও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ পান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুজনের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় সচেতন নাগরিক, মানবাধিকারকর্মী এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলছেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। অভিযোগের সত্যতা থাকলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, আর অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সে বিষয়টিও পরিষ্কারভাবে জনসমক্ষে তুলে ধরা উচিত।
বর্তমানে সংশ্লিষ্ট মহলের নজর রয়েছে মামলার অগ্রগতি ও তদন্তের ওপর। ভুক্তভোগী পরিবার আশা করছে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।
প্রতিবেদন: আবুল কালাম আজাদ
বিশেষ প্রতিনিধি
জাতীয় দৈনিক
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত
চট্টগ্রামে মেয়রের ড্রাইভার জসিমের বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তার ও হামলার অভিযোগ ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ‘ক... বিস্তারিত
সোনাইমুড়ীতে দোকানের আড়ালে বড় ধরনের জুয়ার আসর পেছনের কক্ষে বসে কথিত জুয়ার আসর, পালানোর জন্য রয়েছে ... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত