বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:০৪ এএম
নিজস্ব প্রতিবেদক
লেখক: নাসরিন আক্তার সুমি
স্থানীয় সাংবাদিক ওমর ফারুকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে কথিত বিএনপি নেতা এম এ আলম জীবনের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার ইতোমধ্যে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে এবং হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী ও ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত এম এ আলম জীবন তার সহযোগীদের নিয়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ জন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীসহ সাংবাদিক ওমর ফারুকের
বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার সময় ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয় এবং মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, অভিযুক্তদের একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী বাহিনী রয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে প্রভাব বিস্তার করছে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি দখলসহ বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই গ্রুপটি কখনো হুম্ম কাদের চৌধুরী আবার কখনো গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর নাম ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক ওমর ফারুক বলেন, “হঠাৎ করে একদল সন্ত্রাসী আমার বাড়িতে এসে হামলা চালায়। তারা ঘরের মালামাল ভাঙচুর করে এবং মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় ১০ থেকে ১২ জন আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বলে, আমি যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেই তবে আমাকে মেরে ফেলা হবে। ঘটনার পরপরই আমি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মামলার প্রস্তুতি চলছে। এদিকে সাংবাদিক ওমর ফারুকের ভাই হোসেন মোহাম্মদ জাবেদ অভিযোগ করে বলেন, “এম এ আলম জীবন একজন পেশাদার খুনি। তার একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী রয়েছে। অবৈধ অর্থের প্রভাব খাটিয়ে সে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করছে এবং বিভিন্ন জায়গা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী তার কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ।”
তিনি আরও বলেন, “এক সময় এম এ আলম জীবন এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিল এবং ডাকাত দলের সর্দার হিসেবেও পরিচিত ছিল। বর্তমানে সে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।”
এ ঘটনায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে তারা হলেন—
১. মোঃ সেকান্দার (পিতা: মিতু কভির আহমেদ)
২. মোহাম্মদ রফিক (পিতা: মৃত বজল আহমেদ)
৩. মোহাম্মদ আজিম (পিতা: মৃত বজল আহমেদ)
৪. মোহাম্মদ ইউনুস (পিতা: মৃত বজল আহমেদ)
৫. মোঃ মমতাজ (পিতা: মৃত জাকির হোসেন) এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জন সন্ত্রাসী এ হামলায় জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত
চট্টগ্রামে মেয়রের ড্রাইভার জসিমের বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তার ও হামলার অভিযোগ ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ‘ক... বিস্তারিত
সোনাইমুড়ীতে দোকানের আড়ালে বড় ধরনের জুয়ার আসর পেছনের কক্ষে বসে কথিত জুয়ার আসর, পালানোর জন্য রয়েছে ... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত