সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:১৫ এএম
নিজস্ব প্রতিবেদক
লেখক: নাসরিন আক্তার সুমি
স্থানীয় সাংবাদিক ওমর ফারুকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে কথিত বিএনপি নেতা এম এ আলম জীবনের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার ইতোমধ্যে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে এবং হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী ও ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত এম এ আলম জীবন তার সহযোগীদের নিয়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ জন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীসহ সাংবাদিক ওমর ফারুকের
বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার সময় ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয় এবং মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, অভিযুক্তদের একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী বাহিনী রয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে প্রভাব বিস্তার করছে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি দখলসহ বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই গ্রুপটি কখনো হুম্ম কাদের চৌধুরী আবার কখনো গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর নাম ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক ওমর ফারুক বলেন, “হঠাৎ করে একদল সন্ত্রাসী আমার বাড়িতে এসে হামলা চালায়। তারা ঘরের মালামাল ভাঙচুর করে এবং মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় ১০ থেকে ১২ জন আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বলে, আমি যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেই তবে আমাকে মেরে ফেলা হবে। ঘটনার পরপরই আমি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মামলার প্রস্তুতি চলছে। এদিকে সাংবাদিক ওমর ফারুকের ভাই হোসেন মোহাম্মদ জাবেদ অভিযোগ করে বলেন, “এম এ আলম জীবন একজন পেশাদার খুনি। তার একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী রয়েছে। অবৈধ অর্থের প্রভাব খাটিয়ে সে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করছে এবং বিভিন্ন জায়গা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী তার কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ।”
তিনি আরও বলেন, “এক সময় এম এ আলম জীবন এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিল এবং ডাকাত দলের সর্দার হিসেবেও পরিচিত ছিল। বর্তমানে সে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।”
এ ঘটনায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে তারা হলেন—
১. মোঃ সেকান্দার (পিতা: মিতু কভির আহমেদ)
২. মোহাম্মদ রফিক (পিতা: মৃত বজল আহমেদ)
৩. মোহাম্মদ আজিম (পিতা: মৃত বজল আহমেদ)
৪. মোহাম্মদ ইউনুস (পিতা: মৃত বজল আহমেদ)
৫. মোঃ মমতাজ (পিতা: মৃত জাকির হোসেন) এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জন সন্ত্রাসী এ হামলায় জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
রাজারবাগ বাগপাড়ায় বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প কামরুল হাসান রিপনের নেতà§... বিস্তারিত
ফুলবাড়ীতে বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্à... বিস্তারিত
সবুজবাগ বালুর মাঠে আগামীকাল ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে চিকিৎসাসেবà¦... বিস্তারিত
যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযান, প্রায় ৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সীমান্তে চà... বিস্তারিত
যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযান, প্রায় ৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সীমান্তে চà... বিস্তারিত
কাস্টম কর্মকর্তা ফিরোজের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস অনিয়ম-দুর্নীতি... বিস্তারিত
রাজারবাগ বাগপাড়ায় বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প কামরুল হাসান রিপনের নেতà§... বিস্তারিত
ফুলবাড়ীতে বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্à... বিস্তারিত
সবুজবাগ বালুর মাঠে আগামীকাল ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে চিকিৎসাসেবà¦... বিস্তারিত
যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযান, প্রায় ৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সীমান্তে চà... বিস্তারিত