বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৪২ পিএম
৮০ গৃহহীন পরিবারের মাঠ দখল করে ১৪টি অবৈধ ঘর নির্মাণ, অধিকাংশই তালাবদ্ধ
চট্রগ্রাম জেলা থেকে ওমর ফারুক।
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ৩ নং স্বনির্ভর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে ব্যাপক অনিয়ম ও সরকারি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল্লাহর বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত গৃহহীনদের বঞ্চিত করে অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য ব্যক্তিদের নামে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মোগলের হাট বাজারের পশ্চিম পাশে অবস্থিত আশ্রম প্রকল্প এলাকায় পূর্বে প্রায় ৮০টি গৃহহীন পরিবারের জন্য একটি খোলা পাকা মাঠ সংরক্ষিত ছিল। ওই মাঠটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান, বিয়ের আয়োজন, শিশুদের খেলাধুলা ও বিভিন্ন সামাজিক মাহফিলের জন্য দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার হয়ে আসছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম নুরু ইসলাম জীবদ্দশায় যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ৮০টি গৃহহীন পরিবারকে সরকারের অনুমোদিত কাগজপত্র বুঝিয়ে দেন এবং সামাজিক প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে ওই খোলা জায়গাটি অক্ষত রাখেন।
কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যান নুরুল্লাহ দায়িত্ব গ্রহণের পর ক্ষমতার অপব্যবহার করে ওই মাঠের ওপর ১৪টি পরিবারের নামে ঘর নির্মাণের অনুমোদন দেন। অভিযোগ উঠেছে, এই ১৪টি পরিবারের অনেকেরই নিজস্ব বাড়িঘর রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, টাকার বিনিময়ে তাদের গৃহহীন হিসেবে দেখিয়ে অবৈধভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
গোপন সূত্রে আরও জানা যায়, নির্মিত ১৪টি ঘরের মধ্যে মাত্র চারটি পরিবার বসবাস করছে, বাকি ঘরগুলো দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। এতে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে যে, প্রকল্পটি প্রকৃত গৃহহীনদের জন্য নয় বরং ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সরকারের কোনো বৈধ অনুমোদন আছে কি না জানতে চাইলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল্লাহর কাছ থেকে কোনো সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, আশ্রম প্রকল্পের প্রকৃত বাসিন্দা ও ক্ষতিগ্রস্ত ৮০টি পরিবার রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মহোদয়ের কাছে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন। তারা অবিলম্বে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে পুরনো মাঠ ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও ইউনিয়ন সভাপতি পরিচয়ে চেয়ারম্যান নুরুল্লাহ ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে সরকারি খালি জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণ এবং বিক্রির সঙ্গে জড়িত। অথচ এমন গুরুতর অভিযোগ সত্ত্বেও তিনি এখনো চেয়ারম্যান পদে বহাল রয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। দ্রুত তদন্ত না হলে বড় ধরনের সামাজিক অস্থিরতার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত
চট্টগ্রামে মেয়রের ড্রাইভার জসিমের বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তার ও হামলার অভিযোগ ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ‘ক... বিস্তারিত
সোনাইমুড়ীতে দোকানের আড়ালে বড় ধরনের জুয়ার আসর পেছনের কক্ষে বসে কথিত জুয়ার আসর, পালানোর জন্য রয়েছে ... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত