বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৩৮ পিএম
স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানির কর্মকর্তা হায়দার আলী ফকির—দুদকের অনুসন্ধানে অস্বাভাবিক সম্পদের ইঙ্গিত
চট্টগ্রাম: স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, চট্টগ্রামের সহকারী ব্যবস্থাপক (অডিট) মোঃ হায়দার আলী ফকিরের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের সাম্প্রতিক পুনঃঅনুসন্ধান প্রতিবেদনে বেশ কিছু অসামঞ্জস্য ও অস্বচ্ছতা উঠে এসেছে। কমিশন সূত্রে জানা যায়, তাঁর পরিচিত ও বৈধ আয়ের উৎসের তুলনায় সম্পদের পরিমাণ অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনকভাবে বেশি।
অস্বাভাবিক সম্পদের পরিমাণ
দুদকের নথি অনুযায়ী—
মোট সম্পদ: ১ কোটি ৩৪ লাখ ৫৭ হাজার ৫২১ টাকা
ব্যয়: ৯২ লাখ ৯১ হাজার ৯১৩ টাকা
দায়: ১৩ লাখ ৫৪ হাজার ৬৩৯ টাকা
সব মিলিয়ে তাঁর আয়, ব্যয় ও সম্পদের মোট হিসাব দাঁড়ায় ২ কোটি ১০ লাখ ৯৪ হাজার ৮১১ টাকা, যার কোনো সঙ্গত কারণ বা বৈধ উৎসের প্রমাণ তদন্তে পাওয়া যায়নি বলে দুদকের কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হায়দার আলীর আয় ও সম্পদের পরিমাণের মধ্যে নয়গুণ পর্যন্ত ব্যবধান রয়েছে, যা তদন্ত কর্মকর্তারা “গুরুতর অসামঞ্জস্য” হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
কর্মজীবন ও প্রশ্নবিদ্ধ সম্পদ বৃদ্ধি
তিনি ১৯৯৪ সালে ক্লার্ক–কাম–টাইপিস্ট হিসেবে যোগদান করেন।
পরে সহকারী ব্যবস্থাপক (অডিট) পদে উন্নীত হন।
তবে পদোন্নতি বা বেতন বৃদ্ধির সঙ্গে তাঁর সম্পদের বৃদ্ধি কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, এমন মন্তব্য তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
এক তদারককারী কর্মকর্তা লিখেছেন—
“অভিযোগে বর্ণিত সম্পদের ক্ষেত্রে বৈধ উৎসের প্রমাণ তিনি উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।”
তলবের পরও বারবার সময় বৃদ্ধির আবেদন
দুদক হায়দার আলী ফকিরকে ব্যাখ্যা ও নথি উপস্থাপনের জন্য তলব করলেও তিনি পরপর কয়েকবার সময় বাড়ানোর আবেদন করেছেন।
সর্বশেষ আবেদনে তিনি শারীরিক অসুস্থতা এবং আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
তবে দুদকের একটি সূত্র বলছে—
“এ ধরনের গুরুতর অভিযোগে সাধারণত অভিযুক্তরা নথিপত্রসহ হাজির হন। বারবার সময় বৃদ্ধির আবেদন বিষয়টিকে আরও জটিল করছে।”
তদন্ত অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন
প্রতিবেদনে অসামঞ্জস্য স্পষ্ট থাকা সত্ত্বেও তদন্তকারী কর্মকর্তা জনাব আপেল মাহমুদ বিপ্লব, উপসহকারী পরিচালক, অভিযোগটি আংশিকভাবে পরিসমাপ্তির প্রাথমিক সুপারিশ দিয়েছেন।
এতে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—মামলাটি ধীরগতিতে এগোচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে ধারণা তৈরি হয়েছে।
তবে আইনগত প্রক্রিয়া এখনো সম্পূর্ণ হয়নি, এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কী সিদ্ধান্ত নেন—তা এখনো চূড়ান্তভাবে জানা যায়নি।
দুদকের নথিতে যে তথ্য উঠে এসেছে, তাতে—
আর্থিক লেনদেনে অস্বচ্ছতা,
সম্পদ বৃদ্ধিতে অসঙ্গতি,
আয়ের সঙ্গে স্পষ্ট অসামঞ্জস্য—সবকিছুই নথিভুক্ত।
এখন নজর দেশবাসীর—দুদক এই অভিযোগের পরবর্তী ধাপে কী সিদ্ধান্ত নেয়।
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত
চট্টগ্রামে মেয়রের ড্রাইভার জসিমের বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তার ও হামলার অভিযোগ ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ‘ক... বিস্তারিত
সোনাইমুড়ীতে দোকানের আড়ালে বড় ধরনের জুয়ার আসর পেছনের কক্ষে বসে কথিত জুয়ার আসর, পালানোর জন্য রয়েছে ... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত