বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০২:৪৭ এএম
এলাকাবাসীর ক্ষোভ — বিএনপি নেতাদের তীব্র নিন্দা, “নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত”
লেখক: আজগর আলি মানিক, চট্টগ্রাম থেকে
চট্টগ্রামের আলোচিত সরওয়ার বাবলা হত্যা মামলায় নির্দোষ ও রাজনৈতিকভাবে হয়রানির শিকার মানুষদের জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
বিশেষ করে পাঁচলাইশ চালিতাতলীর বেলাল উদ্দিন মুন্না ও শহীদ নগরের সোহেল নামের দুই নিরহ ব্যক্তিকে এই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী বলছেন, যাদেরকে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের রেকর্ড নেই, এমনকি নিহত সরওয়ার বাবলার সঙ্গেও তাদের ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক কোনো বিরোধ ছিল না।
একজন স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
যার সঙ্গে কোনোদিন কোনো ঝগড়া পর্যন্ত হয়নি, সেই মানুষকে কেন হত্যা মামলায় আসামি করা হলো? এটা জনগণ মেনে নিতে পারছে না।”
বিএনপি নেতাদের প্রতিক্রিয়া
বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, মামলাটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতা ইদ্রিস আলী বলেন,
আমার জানামতে, মুন্নাকে বহু বছর ধরে ষড়যন্ত্রমূলক বিভিন্ন মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি সব মামলায় জামিনে আছেন। মুন্না ছিলেন বিএনপির একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী, যিনি সব কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতেন। এমন একজন মানুষকে হত্যা মামলায় জড়ানো অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে তাঁর মুক্তি দাবি করছি।”
একইভাবে বিএনপি নেতা নাজিমুদ্দিন হিরু বলেন,
মুন্না আমার ছোটবেলার বন্ধু। সে বিএনপির রাজনীতি করতো — এটা কি অপরাধ? আমি কোনো প্রমাণ দেখি না যে সে হত্যার সঙ্গে জড়িত। এটা নিছক রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে করা মিথ্যা মামলা। আমি এই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাই।”
এলাকাবাসীর দাবি ও প্রতিক্রিয়া
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হোক — কিন্তু নির্দোষ ও সৎ মানুষকে হয়রানি করা চলবে না।
একজন সমাজকর্মী বলেন,
সরওয়ার ও মুন্না—দুজনই এলাকায় জনপ্রিয় ছিলেন। এমন মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হলে জনগণের প্রশাসনের প্রতি আস্থা নষ্ট হবে।”
স্থানীয় তরুণরাও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনকে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করতে হবে, নচেৎ এই ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ও অনাস্থা তৈরি হবে।
সর্বমহলে ক্ষোভ ও মুক্তির দাবি
সরওয়ার বাবলা হত্যা মামলায় বেলাল উদ্দিন মুন্নাকে জড়ানোর প্রতিবাদে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে।
তাদের দাবি—
“অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নির্দোষ ব্যক্তিদের মুক্তি দিতে হবে এবং প্রকৃত হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।”
বিক্ষোভকারীরা আরও বলেন, প্রশাসনের উচিত হবে যেন কোনো নিরীহ ব্যক্তির প্রতি অবিচার না হয়, কারণ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত না হলে সমাজে বিভাজন ও ক্ষোভ আরও বাড়বে।
সংবাদদাতা: আজগর আলি মানিক
চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত
চট্টগ্রামে মেয়রের ড্রাইভার জসিমের বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তার ও হামলার অভিযোগ ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ‘ক... বিস্তারিত
সোনাইমুড়ীতে দোকানের আড়ালে বড় ধরনের জুয়ার আসর পেছনের কক্ষে বসে কথিত জুয়ার আসর, পালানোর জন্য রয়েছে ... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত