মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ০১:২৫ এএম
রিপোর্ট: আজগর আলি মানিক | সম্পাদক, সিটিজি ক্রাইম নিউজ
চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার চালিতাতলীতে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর গণসংযোগকালে গুলিতে নিহত হয়েছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন বাবলা (৪০)। বুধবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। এতে এরশাদ উল্লাহসহ আরও কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন।
নিহত সরোয়ার হোসেন বাবলা চট্টগ্রামজুড়ে আলোচিত এক সময়ের শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, অপহরণ, অস্ত্রসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
হুমকির পরেই বাস্তবায়ন
নিহতের ভাই আজিজ হোসেন জানান, ছোট সাজ্জাদ নামে এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর সঙ্গে বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
তিনি
বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমার ভাইকে ছোট সাজ্জাদের লোকজন মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছিল। প্রায়ই ফোনে বলা হতো— ‘তোর সময় শেষ, যা খাওয়ার খেয়ে নে।’ এজন্য আমরা সতর্ক ছিলাম। কিন্তু এরশাদ উল্লাহর গণসংযোগে নিরাপত্তা থাকবে মনে করেই অংশ নিয়েছিলাম।”
আজিজ দাবি করেন, ছোট সাজ্জাদের সহযোগী মো. রায়হানসহ কয়েকজন সরাসরি এ হত্যায় অংশ নেয়।
রাজনৈতিক যোগাযোগ ও পুরনো দ্বন্দ্ব
সরোয়ার বাবলার কোনো রাজনৈতিক পদ না থাকলেও বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরী, আবু সুফিয়ান ও এরশাদ উল্লাহর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
বিএনপির বিভিন্ন মিছিল, সমাবেশ ও নেতাদের বাসায় তার নিয়মিত উপস্থিতি দেখা গেছে। কয়েক মাস আগে তার বিয়েতেও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতির ভিডিও ভাইরাল হয়।
২০১১ সালে গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে থাকা বাবলা জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে ছোট সাজ্জাদের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠেন। এলাকা দখল, বালু ব্যবসা ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক সংঘর্ষ হয়েছে।
গত মার্চ মাসেও তাকে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছিল— তখন গুলিতে দুইজন নিহত হয়েছিলেন, কিন্তু সরোয়ার বেঁচে যান।
পুলিশের বক্তব্য
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ সাংবাদিকদের বলেন,
“আমাদের প্রাথমিক ধারণা, হত্যাকারীদের মূল টার্গেট ছিল সরোয়ার, এরশাদ উল্লাহ নয়। কিছু আলামত পাওয়া গেছে, যা দিয়ে জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে।”
তিনি আরও বলেন,
“নির্বাচনের আগে এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড উদ্বেগজনক। যেকোনো রাজনৈতিক দল গণসংযোগ বা জনসভা করার আগে ২৪ ঘণ্টা আগে পুলিশকে জানালে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।”
অপরাধ জগতের পুরনো অধ্যায়
ছোট সাজ্জাদ একসময় বিদেশে পলাতক শিবির ক্যাডার সাজ্জাদ আলীর অনুসারী ছিলেন, এবং সরোয়ারও সেই দলের সদস্য ছিলেন।
২০১৫ সালের পর সরোয়ার আলাদা হয়ে নিজস্ব বাহিনী গঠন করেন। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজি কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
শেষ হুমকির তিন দিন পরই মৃত্যু
ফোনে পাওয়া শেষ হুমকি ছিল— “যা খাওয়ার খেয়ে নে।”
এর তিন দিন পরই, রাজনৈতিক জনসংযোগের ভিড়ে, গুলিতে শেষ হলো বাবলার জীবনের অধ্যায়।
রাজারবাগ বাগপাড়ায় বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প কামরুল হাসান রিপনের নেতà§... বিস্তারিত
ফুলবাড়ীতে বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্à... বিস্তারিত
সবুজবাগ বালুর মাঠে আগামীকাল ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে চিকিৎসাসেবà¦... বিস্তারিত
যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযান, প্রায় ৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সীমান্তে চà... বিস্তারিত
যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযান, প্রায় ৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সীমান্তে চà... বিস্তারিত
কাস্টম কর্মকর্তা ফিরোজের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস অনিয়ম-দুর্নীতি... বিস্তারিত
রাজারবাগ বাগপাড়ায় বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প কামরুল হাসান রিপনের নেতà§... বিস্তারিত
ফুলবাড়ীতে বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্à... বিস্তারিত
সবুজবাগ বালুর মাঠে আগামীকাল ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে চিকিৎসাসেবà¦... বিস্তারিত
যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযান, প্রায় ৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য আটক নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সীমান্তে চà... বিস্তারিত