বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৫:৫৪ এএম
বিশেষ প্রতিনিধি: ওমর ফারুক, চট্টগ্রাম জেলা থেকে
চট্টগ্রাম, ২৮ অক্টোবর —
চট্টগ্রামের অপরাধ জগতে আবারও আলোচনায় এসেছে আবদুর নবী লেদু, যিনি “ইয়াবা লেদু” নামে পরিচিত। ৩৬ ছাত্র হত্যার মামলার মূল আসামি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক এই ব্যক্তির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে খাগড়াছড়ির পাহাড়ি অঞ্চলে, যেখানে তিনি নাকি মাটির নিচে একটি গোপন আস্তানা গড়ে তুলেছেন — এমন অভিযোগ উঠেছে একাধিক সূত্রে।
গা ঢাকা খাগড়াছড়ির পাহাড়ে
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, লেদু সেখানে অত্যাধুনিক নিরাপত্তাবেষ্টিত ভূগর্ভস্থ কক্ষ নির্মাণ করেছেন। নিয়মিত তার কাছে দেখা যায় দুই নারী সহযোগী — লাকি আক্তার ও চাম্পা
আক্তারকে। তারা পালাক্রমে লেদুর সঙ্গে চলাফেরা করেন বলে জানা গেছে। সূত্র বলছে, এই দুই নারীই এখন পুরো চক্রের নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করছেন।
চট্টগ্রামে অবৈধ ১২ তলা ভবন ‘অপারেশন হেডকোয়ার্টার’!
চট্টগ্রাম নগরের অক্সিজেন মোড় এলাকায় ‘হাজি ভবন’ নামে ১২ তলা একটি ভবন নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সরকারি নথি অনুযায়ী ভবনের কোনো নির্মাণ অনুমোদন নেই, অথচ ভবনটি ব্যবহার করা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।
তাদের দাবি, ভবনের ৫ম তলায় লেদু চক্রের সদস্যরা অস্ত্রসহ অবস্থান করে এবং এখানে প্রায় ৫০ জনেরও বেশি লোক নিয়মিত যাতায়াত করে।
এদের মধ্যে কয়েকজন নারী সদস্য — বিলকিস আক্তার, নাছিমা আক্তার, রুমা, নাসরিন, আকলিমা, রেশমি, রোশনি ও সাহেনা আক্তার — এবং পুরুষ সদস্যদের মধ্যে রহিম, ফাহিম, মামুন, সোলাইমান, আনোয়ার হোসেন সেন্টু, আকবর আলি, এনামুল হক এনাম প্রমুখের নাম উঠে এসেছে স্থানীয় অভিযোগে।
প্রশাসনিক দুর্নীতির অভিযোগ
অভিযোগ রয়েছে, গত কয়েক বছরে লেদু তিন দফা কারাগারে গেলেও, প্রতিবারই প্রভাব ও অর্থের জোরে জামিনে মুক্তি পান। স্থানীয় সূত্র দাবি করে, “দুই কোটিরও বেশি টাকা ঘুষের বিনিময়ে” প্রভাবশালী মহল তাকে সহযোগিতা করেছে।
পুলিশ প্রশাসনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
আমরা বারবার অভিযান চালিয়েছি, কিন্তু সে ধরা দেয় না। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটনের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।”
পুরস্কার ঘোষণা ও পুলিশের অভিযান
সম্প্রতি এক জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনে জানা যায়, লেদুকে ধরিয়ে দিতে পারলে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত তার অবস্থান শনাক্ত করা যায়নি।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “লেদু চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি চলছে এবং তার সহযোগীদের আইনের আওতায় আনার প্রস্তুতি চলছে।”
জনগণের আতঙ্ক ও আহ্বান
স্থানীয়দের দাবি, এই চক্রটি এখন মাদক, নারী ব্যবসা ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। তারা নিয়মিত অস্ত্র মহড়া দেয় এবং এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
সচেতন নাগরিকদের আহ্বান, কেউ যদি লেদু বা তার সহযোগীদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য জানেন, তাহলে তা দ্রুত নিকটস্থ থানায় জানান।
প্রতিবেদক: নাছিমা আক্তার সুমি। অবস্থান: চট্টগ্রাম জেলা
????️ তারিখ: ২৮ অক্টোবর ২০
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত
চট্টগ্রামে মেয়রের ড্রাইভার জসিমের বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তার ও হামলার অভিযোগ ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ‘ক... বিস্তারিত
সোনাইমুড়ীতে দোকানের আড়ালে বড় ধরনের জুয়ার আসর পেছনের কক্ষে বসে কথিত জুয়ার আসর, পালানোর জন্য রয়েছে ... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত