বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:২০ পিএম
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চট্টগ্রামের দৃষ্টি আকর্ষণ :
চট্টগ্রাম সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির অভিযোগ।। চট্টগ্রাম জেলাধীন কর্ণফুলী উপজেলার নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ৩নং শিকলবাহা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা উকিল আহমদ বরাবর "খতিজা বেগম, পিং- মৃত হাজী আমিন মিয়া, স্বামী-হাজী ইউসুফ আলী, মাতা- মৃত শহর জান, সাং- হাজী আমির আলীর বাড়ী, দ্বীপকালামোড়ল, ওয়ার্ড নং-১, শিকলবাহা ৩নং ইউনিয়ন, উপজেলা-কর্ণফুলী, জেলা-চট্টগ্রামের ৫৪৮ এবং ৮৫১ নং মৃত্যু নিবন্ধন, কোন কোন ব্যক্তির আবেদনের মাধ্যমে কয় তারিখে নিবন্ধিত হয় এবং প্রকৃত মৃত্যুর তারিখ উল্লেখে কোন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য
আবেদন করেছেন কিনা, কাহারো আবেদন ব্যতিত মৃত্যু নিবন্ধন হয় কিনা তাহার তথ্য প্রদানের" বিষয়ে একখানা আবেদন করেন, যাহা নিম্নরূপ-
জনাব, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী বিশ্বস্থ সূত্রে জানিতে পারিলাম যে, উপরোক্ত খতিজা বেগম গত ১৯/০২/২০০০ ইং তারিখে মৃত্যুবরণ করেন, যাহার জানাজার নামাজে ইমামতি করেন স্থানীয় জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মোঃ নুরুল আমিন। উপরোক্ত খতিজা বেগমের ছেলে ছালামত আলী ব্যক্তিগত কাজ (বিশেষ করে পাসপোর্ট সংক্রান্ত কাজ)- এ ব্যবহারের জন্য তৎকালীন চেয়ারম্যান হইতে একখানা মৃত্যু সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র গ্রহন করেন, যাতে মৃত্যু নিবন্ধন নং-০০০৮৫১, তাং-১৯/৬/২০২২ ইং উল্লেখ আছে। উক্ত মৃত্যুর প্রত্যয়নপত্রে পারিবারিক তথ্য মোতাবেক ও তাহার জানামতে বিগত ২২-০৮-২০০১ ইং তারিখ উপরোক্ত খতিজা বেগম শারীরিক অসুস্থতায় মৃত্যুবরণ করেন মর্মে চেয়ারম্যান সাহেব "মৃত্যুর প্রত্যয়ন" পত্রে উল্লেখ করেন। বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায় যে, উপরোক্ত খতিজা বেগমসহ তাহার অপরাপর ওয়ারিশ হইতে উক্ত এলাকার জনৈক এম হাসমত আলী গত ১৪/০২/১৯৯৯ ইং তারিখ ৫৫৮ নং রেজিস্টার্ড দলিলসহ বিভিন্ন তারিখে কতেক সম্পত্তির রেজিস্ট্রার্ড দলিল গ্রহন পূর্বক (সরকারী কর/খাজনাদি আদায়ের লক্ষে) নামজারী খতিয়ান সৃজনের আবেদন করেন। খতিজা বেগমের ভাই মুজিবর রহমান বেআইনী ভাবে লোভের বশীভূত হইয়া মিথ্যা তথ্যে ৪৩৯০ নং দলিল রেজিস্ট্রিসহ উপরোক্ত খতিজা বেগমের আরেকটি মৃত্যু সনদ ব্যবহার করে খতিয়ান নং - ৭৭৫ ও ১০১৯ সৃজন করতঃ খতিজা বেগমের প্রাপ্ত সম্পত্তির কতেক অংশ নীজের নামে খতিয়ান করায়, উপরোক্ত এম হাসমত আলী উপরোক্ত খতিজা বেগমের ওয়ারিশ হইতে গৃহীত খরিদা দলিলাদি ব্যবহার করে নীজের নামে নামজারী খতিয়ান সৃজনে ব্যর্থ হয়। খতিজার ছেলে ও ভাই তাদের সুবিধামত সৃজিত একেক সময় একেক মৃত্যু সনদ ব্যবহার করায় দলিল গ্রহীতা এম হাসমত আলীর অপূরণীয় ক্ষতি হয় মর্মে অভিযোগ করেন। তিনি বিভিন্ন দপ্তরে ভূয়া মৃত্যু সনদের মাধ্যমে মুজিবুর রহমানের সৃজিত খতিয়ানসমুহ বাতিলের আবেদন করেন। মুজিবুর রহমানের ব্যবহৃত খতিজা বেগমের মৃত্যু সনদ পর্যালোচনায় দেখা যায়, মৃত্যুর নিবন্ধন নং-০০০৫৪৮, নিবন্ধনের তাং-১৮/০২/২০১৫, মৃত্যুর তাং- ২৮/১২/১৯৯৬ ইংরেজী।
উপরোক্ত বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার বিষয়ে পত্রিকায় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের লক্ষে আনছারী উপরোক্ত দপ্তর সমুহে লিখিতভাবে তথ্য প্রদানের আবেদন করেন যে, উপরোক্ত মৃত্যুর নিবন্ধন নং- ৫৪৮ এবং ৮৫১ কোন কোন ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে শিকলবাহা ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান কর্তৃক নিবন্ধিত হয়? উপরোক্ত খতিজা বেগমের প্রকৃত মৃত্যুর তারিখ কত ও উক্ত তারিখ ব্যবহার করে ইতিপূর্বে কোন ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠান মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছেন কিনা এবং করিলে কয় তারিখে আবেদন করেন। আবেদন ব্যতিত কাহাকেও মৃত্যু সনদ প্রদানের বিধান আছে কিনা? আনছারী আশা করেন যে, উপরোক্ত দপ্তর সমুহের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অতি দ্রুত উপরোক্ত তথ্যাবলী লিখিত ভাবে প্রদান করিয়া প্রতারকদের মুখোশ উম্মোচনে জনস্বার্থে আনছারীকে সহায়তা প্রদান করিবেন। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন অজ্ঞাত কারণে অদ্য ১৮ জুলাই ২৫ খ্রীঃ পর্যন্ত কোন তথ্য প্রদান করেননি। সরকার পরিবর্তনের পরেও প্রশাসনের এই অবস্থা।
বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায় যে, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা উকিল আহমদ ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যায় লাভের আশায় উপরোক্ত তথ্যাদি প্রদানে বিভিন্ন দপ্তরকে নিরুৎসাহিত করিতেছেন এবং নীজেও অপারগতা প্রকাশ করেন। উকিল আহমদের গ্রামের বেশ কয়েকজন লোক নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিবেদককে জানায় যে, তিনি বিভিন্ন মানুষকে বিভিন্নভাবে গ্যারাকলে ফেলে আজ কোটিপতি। তার বেশ কয়েকটি স্থাপনা পর্যবেক্ষণ করিলে, দূর্নীতির বিষয় অনুমান করা যায়, যাহা দুদকের মাধ্যমে তদন্ত প্রয়োজন। তিনি ৮৫১ ও ৫৪৮ নং নিবন্ধন মূলে খতিজা বেগমের দুইটি মৃত্যু সনদ সঠিক নয় উল্লেখ করিয়া কর্ণফুলীর এসিল্যান্ডকে গত ২৩ মার্চ ২৫ প্রতিবেদন দাখিল করেন। উক্ত প্রতিবেদনে পক্ষদ্বয় ভুল তথ্য দিয়ে নিজ স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে মৃত্যু সনদ নেওয়ার বিষয় উল্লেখ করিলেও, অজ্ঞাত কারণে পক্ষদ্বয়ের পরিচয় লিখেন নাই। অত্রসাথে উকিল আহমদের নির্মিত বহুতল ভবনসহ তার ছবি প্রদান করা হইল।
মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়ে মানবিক উদ্যোগ রাজারবাগ-বাগপাড়ায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের ... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত
চট্টগ্রামে মেয়রের ড্রাইভার জসিমের বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তার ও হামলার অভিযোগ ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ‘ক... বিস্তারিত
মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়ে মানবিক উদ্যোগ রাজারবাগ-বাগপাড়ায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের ... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত