বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:২৫ এএম
বায়েজিদে হিরা-নূর হোসেনের সন্ত্রাসী সাম্রাজ্য: প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী
রিপোর্ট: আজগর আলী মানিক, প্রধান সম্পাদক, সিটিজি নিউজ।
চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও জমি দখলের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে হিরা ও নূর হোসেন নামে দুই কুখ্যাত গডফাদার। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ—এরা রাজনৈতিক পরিচয় পাল্টে এখন বিএনপি নেতার মুখোশ পরে অপরাধ জগত চালাচ্ছে। আগে আওয়ামী রাজনীতির ছত্রছায়ায় থাকলেও এখন বিএনপি সাইনবোর্ড ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, প্রতারণা, জমি দখল, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, এমনকি ডাকাতির মতো অপরাধে লিপ্ত তারা।
ভুক্তভোগী মোঃ আরমান জানান, গত ২৩ মে বিকেল ৫টার দিকে হিরা ও নূর হোসেনের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী তার বাসায় এসে জায়গা দখলের চেষ্টা করে এবং চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকিও দেয়া হয়। আরমান বলেন, “ওরা বলে, এক দিনের মধ্যে বাসা না ছাড়লে অস্ত্র দিয়ে সাজানো মামলায় ঢুকিয়ে দেবে।”
এ সময় আরমানের দাবি, বায়েজিদ থানার এক তদন্ত ওসি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে হিরাদের পক্ষ নিয়ে সরাসরি হুমকি দেন। প্রশ্ন উঠছে, পুলিশের ভূমিকা কি সন্ত্রাসীদের পক্ষে?
স্থানীয়রা জানান, হিরা ও নূর হোসেনের নামে একাধিক অপরাধের অভিযোগ থাকলেও আজ পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং তাদেরকে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বারবার রক্ষা করা হয়েছে। রুবেল মাহি নামের এক যুবকের নেতৃত্বে কিশোর গ্যাং গড়ে উঠেছে, যারা হিরা-নূর হোসেনের ছত্রছায়ায় এলাকায় চাঁদাবাজি, জমি দখল, হুমকি ও মারধরের মাধ্যমে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
প্রতিদিনকার এই চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। কেউ প্রতিবাদ করলে মিথ্যা মামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের নিরবতা ও পক্ষপাতমূলক আচরণের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী এখন রাস্তায় নামার হুমকি দিচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, হিরা ও নূর হোসেন চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকায় সন্ত্রাসের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এরা শুধু রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়, প্রশাসনের ছত্রছায়াতেও নিজেদের অপরাধ কর্মকাণ্ড নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে।
এই ঘটনার পর ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মানবাধিকার কমিশনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, “প্রশাসন কেন নীরব? কেন এদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না?”
বায়েজিদ এলাকায় এখন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা চরমে। সচেতন মহলের মত, প্রশাসন যদি এখনই জিরো টলারেন্স নীতিতে কঠোর পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
সিটিজি নিউজ এর পক্ষ থেকে একাধিকবার থানার বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও, তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে স্পষ্ট দাবি—এই দুই গডফাদার হিরা ও নূর হোসেনকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। অন্যথায়, এই জনবিরোধী সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়ে মানবিক উদ্যোগ রাজারবাগ-বাগপাড়ায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের ... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত
বিগত ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এবং তৎকালীন সরকারের দমন-প... বিস্তারিত
চট্টগ্রামে মেয়রের ড্রাইভার জসিমের বিরুদ্ধে আধিপত্য বিস্তার ও হামলার অভিযোগ ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ‘ক... বিস্তারিত
মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়ে মানবিক উদ্যোগ রাজারবাগ-বাগপাড়ায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের ... বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিআরটিএতে নতুন পরিচালক শফিকুজ্জামান ভূঞা অনিয়ম-হয়রানি বন্ধ ও সেবার মান বাড়ানোই এখন বড় ... বিস্তারিত
দুর্নীতির যুবরাজ খ্যাত বিএডিসির ডিডি দীপক—আইনের ঊর্ধ্বে কি কেউ? লেখক: আজগর আলী মানিক। বাংল... বিস্তারিত
সাংবাদিকের মোবাইল চুরি, বিকাশ-নগদের টাকা উত্তোলন: তথ্য-প্রমাণ থাকার পরও চোর অধরা কেন? নিজস্ব প্রত... বিস্তারিত